সোহরাব হোসেন চৌধুরী, কক্সবাজার প্রতিনিধি :: ৮
অক্টোবর গণপ্রজাতন্ত্রী বাংবাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা
কক্সবাজারে রামুর ক্ষতিগ্রস্ত বৌদ্ধমন্দির এবং বসতবাড়ি পরিদর্শনে আসছেন।
প্রধানমন্ত্রীর আগমন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলার সার্বিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এর মধ্যে কক্সবাজার এসে পৌঁছেছে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গীয়দল। একই সঙ্গে গত ৭অক্টোরব সকালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যবহারের জন্য একটি গাড়িও কক্সবাজার এসে পৌঁছেছেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল কর্মকর্তা শেখ আকতার হোসেন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির সূত্রে জানা যায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিমানে করে আজ ৮ অক্টোবর সকাল ১১টায় কক্সবাজার পৌঁছবেন। বেলা ১১টা ২০ মিনিটে তিনি রামুর উদ্দেশে যাত্রা করবেন।
এরপর বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর ১২টা ২০ মিনিট পর্যন্ত তিনি রামুর ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করবেন। দুপুর ১টা পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির ও পরিবারগুলোতে ত্রাণ ও অনুদান বিতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। দুপুর ১টা ৫ মিনিটে সেখান থেকে কক্সবাজার সার্কিট হাউসের উদ্দেশে রওনা করবেন তিনি। এরপর দুপুর ২টা ৪০ মিনিট থেকে বিকেল পৌনে ৪টা পর্যন্ত জেলার সার্বিক উন্নয়নের জন্য জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা-কর্মচারী ও রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে কক্সবাজার বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা করবেন।
এছাড়া ক্ষতিগ্রস্ত মন্দির ও পরিবারগুলোতে ত্রাণ ও অনুদান বিতরণের জন্য রামুতে এক সংক্ষিপ্ত সমাবেশের আয়োজন করা হয়েছে। এরই মধ্যে রামুর চৌমুহনী স্কুল মাঠে প্রধানমন্ত্রীর জনসভার জন্য মঞ্চ তৈরির কাজও শেষ হয়েছে। সরে জমিনে দেখা যায়, কক্সবাজার জেলার জনগণ প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে আগ থেকে প্রস্তুত আছে। ইতেমধ্যে দলের পক্ষ থেকে সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে বলে জানা যায়। একই সঙ্গে প্রশাসনিকভাবে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। এদিকে,গত রোববার সকালে রামুর বিভিন্ন পয়েন্টে বিপুল সংখ্যক নিরাপত্তাকর্মীর উপস্থিতি দেখা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের সম্ভাব্য মন্দির, এলাকায় নানাভাবে তল্লাশি অব্যাহত রয়েছে। অপরদিকে, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আগমন উপলক্ষে কক্সবাজার জেলা আওয়ামী লীগ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ, কৃষক লীগ,যুবলীগ, ছাত্রলীগ, প্রধানমন্ত্রীর সহকারী কক্সবাজারে অবস্থান করেছেন বলে জানা যায়।
রামুর দ.মিঠাছড়িতে বনদূস্য কর্তৃক গাছ লুটঃ বসত বাড়িতে ভাংচুর
সোহরাব হোসেন চৌধুরী , কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি
কক্সবাজারের রামু উপজেলার দ. মিঠাছড়িতে বনদূস্য কর্তৃক গাছ বাগান থেকে মূল্যবান গাছ কেটে ফেলার এক অভিযোগ পাওয়া যায়।
সরে জমিনে জানা যায়,গত ৫অক্টোবর দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয় রামুর দ. মিঠাছড়ির সিকদার পাড়ার নিবাসী মৃত.সিদ্দিকুর রহমান এর পুত্র হামিদুর রহমানের নিজ গড়া গাছ বাগানটি রামর দ. মিঠাছড়ির ৭নং ওয়ার্ডের ছেনসুনিয়া এলাকায় অবস্থিত। ওই স্থান থেকে গত ৫ অক্টোবর বহুল আলোচিত বনদূস্য হাবিবুর রহমান,আবুল বশর,ফোরকান,জহির উদ্দিন,খাইরুল আমিনসহ আরে অজ্ঞাতনামা ৫/৭জন মিলে হামিদুরহমানের গাছ বাগান হতে ২০টির অধিক মূল্যবান গাছ কেটে লুট করে নিয়ে যায় রামু দ. মিঠাছড়ির ঘাটপাড়ার এক লাইন্স বিহীন স’মিলে লুট করে রাখে।এ দিকে অসুস্ত হামিদুর রহমান (৬০) গাছ লুট করার সময় বাধা দিলে বনদূস্যরা তাকে ব্যাপক মারধর করে এবং তার বসত বাড়ি ভাংচুর চালায়।এ ব্যাপারে তার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান বনদূস্যরা আমাকে বেশি মেরেছে আমার বাগানের গাছ লুট করেছে । তিনি আরও জানান এর আগেও বনদূস্যরা আমার বাগান থেকে গাছ লুট করেছিল তাই নিরুপায় হয়ে আমি মামলার প্রস্ত্ততি নিচ্ছি।
===============
প্রধানমন্ত্রী কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে জেলা কৃষক লীগের প্রস্ত্ততি সভা অনুষ্ঠিত
সোহরাব হোসেন চৌধুরী , কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ
আজ ৮ অক্টোবর গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজার আগমন উপলক্ষে বাংলাদেশ কৃষক লীগ কক্সবাজার জেলা শাখার উদ্দ্যোগে গত ৭ অক্টোবর বিকাল ৪টার সময় শহরের রুমালিয়া ছড়াস্থ অস্থায়ী কার্যালয়ে এক প্রস্ত্ততি সভা অনুষ্টিত হয়েছে। জেলা কৃষক লীগের সাধারণ সম্পাদক আতিক উদ্দিন চৌধুরী সঞ্চলনায় জেলা সভাপতি রশিদ আহমদের সভাপতিত্বে এতে কেন্দ্রীয় পরিষদের সদস্য এম এ হাসেম,সহুসভাপতি আনিছুল হক চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক মোহাম্মদ শহিল্লাহ ,শহর আহবায়ক এরশাদুজ্জামান সুমন, যুগ্ম আহবায়ক সোহরাব হোসেন চৌধুরী, নুরুল আমিন নুরু, মুজিবুর রহমান মুজিব, হেলাল উদ্দিন বাদশা প্রমূখ। প্রস্ততি সভায় ,আজ ৮ অক্টোবর গণপ্রজান্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিভিন্ন অনুষ্টান সফল করার জন্য কক্সবাজার জেলা, শহর ও ওয়ার্ড কৃষক লীগ কমিটির সকল নেতৃবৃন্দদের ঠিক সময়ে উপস্থিত হওয়ার আনুরোধ জানানো হয়।
বিদ্যুৎ
চলে যাওয়ার পর বাল্বটি নিজ থেকে আলো দেবে টানা ৩ ঘণ্টা। ঘরে কোনো মানুষ
না থাকলে এ বাল্ব বন্ধ হয়ে যাবে আপনা-আপনি। মানুষ এলে নিজে থেকেই জ্বলে
উঠবে। এটি কখনো গরম হয় না এবং হাতে নিয়ে টর্চ হিসেবে ব্যবহার করা যায়
অনায়াসে। আর এর আয়ুও দীর্ঘ, ১০ বছর। শিশুদের চোখের জন্য যতটুকু আলো দরকার
সেইটুকু আলোই সরবরাহ করবে এ বাতি।
রেসকিউ বাল্বএমনই এক বাল্ব এদেশে তৈরির কথা জানালেন এমএম রাজা। তিনিই বাংলাদেশে এ বাল্বের প্রথম প্রস্তুতকারক। বাতিটির নাম রেসকিউ বাল্ব।
এমএম রাজার দীর্ঘ প্রচেষ্টা ও পরিশ্রমের ফসল এ বাল্ব। জাপানের পর বাংলাদেশই এটি সফলভাবে তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। বর্তমানে এ বাল্ব কেবল জাপানেই ব্যবহৃত হচ্ছে।
এমএম রাজা জানান, এখন বাংলাদেশে ব্যবহার হতে চলেছে এই বিস্ময়কর প্রযুক্তি। এ বাল্ব ব্যবহার করে বাংলাদেশের বিদ্যুৎ সাশ্রয় করা সম্ভব হবে ব্যাপক হারে। এর মাধ্যমে সাশ্রয় করা সম্ভব হবে ৮৫ ভাগ বিদ্যুৎ। তিনি আরও জানান, এ বাল্ব ৫ থেকে ৬ ওয়াটের হয়ে থাকে বলে এর বিদ্যুৎ খরচও খুব কম।
তিনি জানান, ব্যবসা নয়, কেবল সমাজ সেবার মনোভাব থেকেই মুন্সিগঞ্জের হাতিমারা এলাকায় জাপান একো এনার্জি সিটিতে গ্রহণ করা হয়েছে আইটি প্রযুক্তির বিকাশ ও জাপান রেসকিউ বাল্ব তৈরির একটি প্রকল্প।
উক্ত
কর্মশালায় অংশ গ্রহনের জন্য ৭ অক্টোবরের মধ্যে অংশ গ্রহনকারীদের নাম-পদবী ,
অনলাইন সংবাদপত্রের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নং এবং ই-মেইল ঠিকানা প্রেরণ
করার জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছিল। আমরা এ ব্যাপারে অভাবনীয় সাড়া পেয়ে
আনন্দিত। তবে শেষ দিনে অনেকেই সময় সীমা বৃদ্ধি করার অনুরোধ জানানোর
প্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় নেতৃবন্দের সিদ্ধান্ত ক্রমে নাম ঠিকানা পাঠানোর শেষ
তারিখ হিসেবে আগামী ১২ অক্টোবর পযন্ত বৃদ্ধি করা হলো।
উল্লেখ্য
উক্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উদ্বোধন করার সদয় সম্মতি
জ্ঞাপন করেছেন মাননীয় তথ্যমন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনু । সমাপনী অনুষ্ঠানে
প্রধান অতিথি থাকবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয়
প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান । অনুষ্ঠানে প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর মূল
প্রবন্ধ পাঠ করবেন বিজয় সফ্টওয়ারের জনক, আনন্দ বাংলা সংবাদ ( আবাস)’র
চেয়ারম্যান, প্রখ্যাত প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জববার ।
ওই দিন বেলা ০৩ টার মধ্যেই সেমিনারে আপনাদের ( প্রত্যেক পত্রিকার জন্য ০২জন) উপস্থিতি একান্তভাবে কামনা করছি।
অনুগ্রহপূর্বক এই ঠিকানায় ই-মেইল করুন :
Email : bonpabd@gmail.com / helalinfo@gmail.com
বনপা’র ওয়েব সাইট দেখতে এবং সংগঠনের খবর জানতে ব্রাউজ করুন : www.bonpa.net
ধন্যবাদসহ-
মিজানুর রহমান হেলাল
আহবায়ক
সেমিনার উপ-কমিটি।
মোবাইল : 01712981599
এস.এইচ.এম তরিকুল ইসলাম, রাজশাহী :: রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চর মাজারদিয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আবারো এক বাংলাদেশী কিশোর ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। তার নাম সুজন (১৬)। সে ঐ এলাকার শুকুর আলীর পুত্র। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, সুজনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী রোববার গভীর রাতে চর মাজারদিয়া সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সীমান্তের ওপারে ভারতের হারুডাঙ্গা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ করে গুলি ছুড়লে সুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তারা লাশ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। নিহতের বাড়ি সীমান্ত থেকে মাত্র ৫’শ গজ দূরে বলে জানাগেছে। আইনি জটিলতা এড়াতে এসময় সুজনের পরিবার তরিঘরি লাশ দাফন করেন। কিন্তু স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) খবর দেন।
এ ব্যাপারে হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, প্রথমে নিহতের স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে দাফন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সুজনের বাবা শুকুর আলী তাকে জানান যে, বিজিবি’র অনুমতি সাপেক্ষেই সন্তানের লাশ দাফন করেছেন।
এদিকে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সোমবার বিকাল সোয়া ৫টায় বলেন, বিজিবি লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের বাড়ি গিয়ে লাশটি কবর থেকে তোলার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। তিনি বলেন, লাশ তোলা হলে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি রাজশাহী সদর দপ্তরের জি-২ মেজর হান্নান জানান, সীমান্তে কিশোর হত্যার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। এছাড়াও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হবে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, সুজনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী রোববার গভীর রাতে চর মাজারদিয়া সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সীমান্তের ওপারে ভারতের হারুডাঙ্গা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ করে গুলি ছুড়লে সুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তারা লাশ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। নিহতের বাড়ি সীমান্ত থেকে মাত্র ৫’শ গজ দূরে বলে জানাগেছে। আইনি জটিলতা এড়াতে এসময় সুজনের পরিবার তরিঘরি লাশ দাফন করেন। কিন্তু স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) খবর দেন।
এ ব্যাপারে হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, প্রথমে নিহতের স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে দাফন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সুজনের বাবা শুকুর আলী তাকে জানান যে, বিজিবি’র অনুমতি সাপেক্ষেই সন্তানের লাশ দাফন করেছেন।
এদিকে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সোমবার বিকাল সোয়া ৫টায় বলেন, বিজিবি লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের বাড়ি গিয়ে লাশটি কবর থেকে তোলার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। তিনি বলেন, লাশ তোলা হলে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি রাজশাহী সদর দপ্তরের জি-২ মেজর হান্নান জানান, সীমান্তে কিশোর হত্যার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। এছাড়াও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হবে।
চারঘাট থেকে প্রতিনিধি :: জননী গ্রন্থাগার ও সাংস্কৃতিক সংস্থা রুডো রাজশাহী আয়োজনে ডাব্লিউ বি,বি ট্রাষ্ট ঢাকা, সি আর ইউ এফ রাজশাহী সহযোগীতায় প্রচুর পরিমানে শাকসবজ্বি ফলমুল খান, কোমল পানীয় ফাষ্ট ফুড অধিক র্চবিযুক্ত ও ভাজাপুড়া খাবার এবং তামাক জাত দ্রব্য পরিহার করুন প্রচারের অংশ হিসাবে একটি ক্যাম্পেইন গতকাল সোমবার বাঘা উপজেলার মীরগঞ্জ বাজার মোড়ে অনুষ্ঠিত হয়। প্রচারের অংশ হিসাবে ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন চারঘাট বহুমূখী উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক কামরুজ্জামান, সভাপতি সাদেক আলী, সহ-সভাপতি গাজীবর রহমান, পাঁচবাড়িয়া দুঃস্থ মহিলা কুটির শিল্প সমিতির সভানেত্রী ও চারঘাট মহিলা ইউপি সদস্য জাহানারা, পথের আলো সমিতির সভানেত্রী ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান জমেলা বেগম, সুচনা সমিতির সভানেত্রী আলেয়া বেগম সহ মতিউর রহমান, মোক্তার হোসেন, আফরোজা বেগম এবং স্থানীয় গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ ক্যাম্পেইনে উপস্থিত ছিলেন। বক্তারা বলেন,’’ পুষ্টিকর জাতীয় খাবার, ভিটামিন জাতীয় খাবার বেশী পরিমানে খান এবং অধিক চর্বি যুক্ত, তামাক জাত দ্রব্য সহ অন্যান্য দ্রব্য গুলোর ক্ষতিকর দিক গুলো উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম পর্যায়ে ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে প্রচার চালানো।
রাজশাহী সংবাদদাতাঃ কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও রাবি প্রশাসনের অভয়বাণী সত্ত্বেও মনের মধ্যে ভয় নিয়েই বৃহস্পতিবার অনার্স প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। বারবারই মনে পড়ছে মাত্র ২ দিন আগে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের ভয়াবহ সংঘর্ষের কথা।
এরপর উচ্ছ্বাসের কমতি নেই। ভর্তিচ্ছু নবীনদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে ক্যাম্পাস জুড়ে।
এদিকে, ২০১১ সালের তুলনায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ায় এবং ইউনিট পদ্ধতির পরীক্ষায় মাত্র ৬দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ায় ভর্তিচ্ছুদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার ও গোলাগুলির ঘটনায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। মঙ্গলবারের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে । ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি: নানা জল্পনা-কল্পনা ও অনিশ্চয়তাকে পেছনে ফেলে বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা। চলবে আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, ভর্তি পরীক্ষা ৬ অক্টোবর শুরু হয়ে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। কিন্তু ২০১১ সালে চেয়ে এবার ভর্তিচ্ছুদের সংখ্যা এক লাখের বেশি হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভর্তি পরীক্ষা ২ দিন এগিয়ে এনে নতুন পদ্ধতি চালু করে। নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী একই ইউনিটের জোড় এবং বিজোড় রোল আলাদাভাবে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু নতুন এ পদ্ধতি বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন এক আইনজীবী। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষা শুরুর মাত্র ২ দিন আগে মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শিবির-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এবং নতুন পদ্ধতি নিয়ে রিটসহ নানা জটিলতা দূর করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য জানান, ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হবে এতে কোনো বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। ভর্তিচ্ছু এবং তাদের অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে তিনি জানান, ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে উদ্ভুত পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উপাচার্য আরও জানান, অন্যান্যা বারের চেয়ে চলতি শিক্ষাবর্ষে এক লাখের বেশি ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাই পরীক্ষা ব্যবস্থায় কিছু ব্যবস্থাপনাগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। পরীক্ষা উপলক্ষে ইতোমধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আবাসিক হলসহ নগরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও মেসে উঠেছে। ২০১১ সালের তুলনায় এবার ভতিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি অনুষদভুক্ত ৪৯টি বিভাগের ৩ হাজার ৬শ ১৫ আসনের বিপরীতে চলতি শিক্ষাবর্ষে আবেদন করেছে ২ লাখ ৪২ হাজার ২শ ৬৪ জন। গত ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে প্রতিযোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ১শ ৫৯ জন।
২০১১ সালের চেয়ে এবার প্রতিযোগী সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। এই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাও শেষ করতে হবে মাত্র ৬ দিনে। ফলে, সব শিক্ষার্থী একযোগে ক্যাম্পাসে অবস্থান করায় এ বছর পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেক বেশি। এ কারণে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় ভরে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আঙিনা। শহীদ মিনার, গোল্ডেন জুবুলি টাওয়ার, সাবাস বাংলাদেশ, প্যারিস রোড, পূর্বপাড়া, গণকবর, পশ্চিমপাড়া, আমতলা, সমকাল চত্বর, বৈশাখী চত্বর, টুকিটাকি চত্বর, মিডিয়া চত্বর, তুঁতবাগান, চারুকলা বিভাগ, পুরাতন ফোকলোর চত্বরসহ ক্যাম্পাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট শিক্ষার্থীদের আনাগোনায় সরব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জিয়াউল হল সরকার, বশির আহমেদ, জাহাঙ্গির, জ্যাম বলেন,“পুরো ক্যাম্পাসটাই উৎসব মুখর। পরীক্ষা দিতে এসে যে আনন্দটা আঁচ করতে পারি নাই, আজ পুরোপুরি তা উপলব্ধি করছি।” ব্যবসায়ীদের আনন্দ : ভর্তিচ্ছুদের নিয়ে এখানকার ব্যবসায়ীদেরও আনন্দের কমতি নেই। কেননা বিপুল সংখ্যক ভর্তিচ্ছুরা পরীক্ষা দিতে আসায় এবং ক্যাম্পাসের হলগুলোতে অবস্থান করায় ব্যবসা ভালোই জমে উঠেছে। বিশেষ করে খাবারের দোকান মালিকরা এই সুযোগটা বেশি করে কাজে লাগিয়েছে। অনেকে খাবারের দাম লাগামহীনভাবে বাড়িয়ে দিয়ে একতরফাভাবে ব্যবসা করছে।
নবীনদের আগমনে ক্যাম্পাসের সার্বিক চিত্র আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে ভরে উঠলেও কিছু ক্ষেত্রে এখানকার শিক্ষার্থীদের একটু বিপাকেই পড়তে হচ্ছে। থাকা-খাওয়াসহ পড়ালেখাতেই এর প্রভাবটা বেশি পড়ে বলে অনেকের মন্তব্য। শের-ই-বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আলামিন, শিমুল, সাদ্দাম, হিমুসহ অনেকে বলেন, “মাত্র ৪ দিনে সব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করার ফলে শিক্ষার্থীরা একযোগে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন। আর রাজশাহীতে যাদের কোনো পরিচিত কেউ নেই তাদের হলে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে, নিজেদের যেমন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তেমনি চরম কষ্টের শিকার হতে হচ্ছে এখানে অধ্যায়নরত হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের।#
এরপর উচ্ছ্বাসের কমতি নেই। ভর্তিচ্ছু নবীনদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস। তারুণ্যের উচ্ছ্বাসে আনন্দঘন পরিবেশ বিরাজ করছে ক্যাম্পাস জুড়ে।
এদিকে, ২০১১ সালের তুলনায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের সংখ্যা দ্বিগুণ হওয়ায় এবং ইউনিট পদ্ধতির পরীক্ষায় মাত্র ৬দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ের সব বিষয়ের পরীক্ষা শেষ হওয়ায় ভর্তিচ্ছুদের উপচেপড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে মঙ্গলবার ইসলামী ছাত্রশিবিরের সঙ্গে সংঘর্ষে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের প্রকাশ্যে অস্ত্র ব্যবহার ও গোলাগুলির ঘটনায় ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আতঙ্ক নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। মঙ্গলবারের ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে নিচ্ছিদ্র নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেছে । ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে বিভ্রান্তি: নানা জল্পনা-কল্পনা ও অনিশ্চয়তাকে পেছনে ফেলে বৃহস্পতিবার রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে শুরু হয়েছে ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা। চলবে আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে দেওয়া প্রথম বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয় যে, ভর্তি পরীক্ষা ৬ অক্টোবর শুরু হয়ে ৯ অক্টোবর পর্যন্ত চলবে। কিন্তু ২০১১ সালে চেয়ে এবার ভর্তিচ্ছুদের সংখ্যা এক লাখের বেশি হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ভর্তি পরীক্ষা ২ দিন এগিয়ে এনে নতুন পদ্ধতি চালু করে। নতুন পদ্ধতি অনুযায়ী একই ইউনিটের জোড় এবং বিজোড় রোল আলাদাভাবে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। কিন্তু নতুন এ পদ্ধতি বাতিল চেয়ে উচ্চ আদালতে রিট করেন এক আইনজীবী। এছাড়া ভর্তি পরীক্ষা শুরুর মাত্র ২ দিন আগে মঙ্গলবার ক্যাম্পাসে ছাত্রলীগ-ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটে। ফলে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক আতঙ্ক বিরাজ করছে।
শিবির-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ এবং নতুন পদ্ধতি নিয়ে রিটসহ নানা জটিলতা দূর করতে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। বুধবার বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য জানান, ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার থেকেই শুরু হবে এতে কোনো বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। ভর্তিচ্ছু এবং তাদের অভিভাবকদের আশ্বস্ত করে তিনি জানান, ভর্তি পরীক্ষা উপলক্ষে ক্যাম্পাসে উদ্ভুত পরিস্থিতি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। উপাচার্য আরও জানান, অন্যান্যা বারের চেয়ে চলতি শিক্ষাবর্ষে এক লাখের বেশি ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন। তাই পরীক্ষা ব্যবস্থায় কিছু ব্যবস্থাপনাগত পরিবর্তন আনা হয়েছে। কিন্তু ভর্তি পরীক্ষা যাতে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয় তার জন্য কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০১২-২০১৩ শিক্ষাবর্ষে ১ম বর্ষ স্নাতক সম্মান শ্রেণীতে ভর্তি পরীক্ষা বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। পরীক্ষা উপলক্ষে ইতোমধ্যে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের আবাসিক হলসহ নগরের বিভিন্ন আবাসিক হোটেল ও মেসে উঠেছে। ২০১১ সালের তুলনায় এবার ভতিচ্ছু শিক্ষার্থীর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দ্বিগুণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের ৮টি অনুষদভুক্ত ৪৯টি বিভাগের ৩ হাজার ৬শ ১৫ আসনের বিপরীতে চলতি শিক্ষাবর্ষে আবেদন করেছে ২ লাখ ৪২ হাজার ২শ ৬৪ জন। গত ২০১১-১২ শিক্ষাবর্ষে প্রতিযোগী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৩১ হাজার ১শ ৫৯ জন।
২০১১ সালের চেয়ে এবার প্রতিযোগী সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ। এই শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাও শেষ করতে হবে মাত্র ৬ দিনে। ফলে, সব শিক্ষার্থী একযোগে ক্যাম্পাসে অবস্থান করায় এ বছর পরীক্ষার্থীদের উপস্থিতি অনেক বেশি। এ কারণে শিক্ষার্থীদের পদচারণায় ভরে গেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি আঙিনা। শহীদ মিনার, গোল্ডেন জুবুলি টাওয়ার, সাবাস বাংলাদেশ, প্যারিস রোড, পূর্বপাড়া, গণকবর, পশ্চিমপাড়া, আমতলা, সমকাল চত্বর, বৈশাখী চত্বর, টুকিটাকি চত্বর, মিডিয়া চত্বর, তুঁতবাগান, চারুকলা বিভাগ, পুরাতন ফোকলোর চত্বরসহ ক্যাম্পাসের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট শিক্ষার্থীদের আনাগোনায় সরব।
বিশ্ববিদ্যালয়ের শের-ই বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী জিয়াউল হল সরকার, বশির আহমেদ, জাহাঙ্গির, জ্যাম বলেন,“পুরো ক্যাম্পাসটাই উৎসব মুখর। পরীক্ষা দিতে এসে যে আনন্দটা আঁচ করতে পারি নাই, আজ পুরোপুরি তা উপলব্ধি করছি।” ব্যবসায়ীদের আনন্দ : ভর্তিচ্ছুদের নিয়ে এখানকার ব্যবসায়ীদেরও আনন্দের কমতি নেই। কেননা বিপুল সংখ্যক ভর্তিচ্ছুরা পরীক্ষা দিতে আসায় এবং ক্যাম্পাসের হলগুলোতে অবস্থান করায় ব্যবসা ভালোই জমে উঠেছে। বিশেষ করে খাবারের দোকান মালিকরা এই সুযোগটা বেশি করে কাজে লাগিয়েছে। অনেকে খাবারের দাম লাগামহীনভাবে বাড়িয়ে দিয়ে একতরফাভাবে ব্যবসা করছে।
নবীনদের আগমনে ক্যাম্পাসের সার্বিক চিত্র আনন্দ আর উচ্ছ্বাসে ভরে উঠলেও কিছু ক্ষেত্রে এখানকার শিক্ষার্থীদের একটু বিপাকেই পড়তে হচ্ছে। থাকা-খাওয়াসহ পড়ালেখাতেই এর প্রভাবটা বেশি পড়ে বলে অনেকের মন্তব্য। শের-ই-বাংলা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী আলামিন, শিমুল, সাদ্দাম, হিমুসহ অনেকে বলেন, “মাত্র ৪ দিনে সব পরীক্ষা অনুষ্ঠিত করার ফলে শিক্ষার্থীরা একযোগে ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন। আর রাজশাহীতে যাদের কোনো পরিচিত কেউ নেই তাদের হলে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে। ফলে, নিজেদের যেমন ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তেমনি চরম কষ্টের শিকার হতে হচ্ছে এখানে অধ্যায়নরত হাজার হাজার শিক্ষার্থীদের।#
রাজশাহী সংবাদদাতা :: কেন্দ্রীয়
যুবদল সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ আটক বিএনপি নেতাকর্মীদের মুক্তি ও
নয়াপল্টনে বিএনপি কর্যালয় ঘেরাও করে রাখার প্রতিবাদে রাজশাহীতে বিক্ষোভ
মিছিল ও সমাবেশ করেছে মহানগর ছাত্রদল।
বৃহস্পতিবার দুপুর সাড়ে ১২টার
দিকে রাজশাহী কলেজ থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি বের হয়ে মহানগরীর বিভিন্ন প্রধান
প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে। পরে মহানগরীর মালোপাড়া বিএনপি দলীয় কার্যালয়ের
সামনে গিয়ে শেষ হয়। সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশের আয়োজন করা হয়।
বিক্ষোভ
মিছিলে নেতৃত্ব দেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব ও মহানগর সভাপতি মিজানুর রহমান
মিনু। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক
অ্যাডভোকেট শফিকুল হক মিলন ও মহানগর ছাত্রদলের সভাপতি মাহফুজুর রহমান রিটন
প্রমুখ।
বিক্ষোভ মিছিল শেষে অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তারা কেন্দ্রীয় যুবদল
সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন আলালসহ দলীয় নেতাকর্মীরে গ্রেফতার ও নয়াপল্টনের
দলীয় কর্যালয়ে বিএনপি নেতাকর্মীদের অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় তীব্র নিন্দা
জানান।
অবিলম্বে দলীয় কার্যালয় অবমুক্ত ও আটক নেতাকর্মীদের মুক্তি দেওয়া না হলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলেও বক্তারা বলেন।#
সেলিম ভান্ডারী, বাঘা (রাজশাহী) প্রতিনিধি :: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার মনিগ্রাম বাজারে গতকাল বুধবার বিকাল ৪ ঘটিকার সময় দুই গ্র“পের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছে।
স্থানীয়
সূত্রে জানা যায়, সাজাহান আলী নামের এক ভুটভুটি চালক মনিগ্রাম বাজারে তিন
রাস্তার মৌড়ে এসে দাড়ায়। এর পর পাশে দাড়িয়ে থাকা এক রিফুজি (পদ্মা পারি)
ভ্যান চালক সাজাহানকে ওই স্থানে ভুটভুটি রাখতে নিষেধ করে। কারণ জানতে চাইলে
ভ্যান চালক উত্তেজিত হয়ে ভুটভুটটি চালক সাজাহানকে কিল-ঘুষি মেরে ভুটভুটি
আটকে দেয়। এরপর স্থানীয় জনগন মারামারি ঠেকানোর পর ভুটভুটি ছেড়ে দিলে রিফুজি
ভ্যান চালকের পক্ষ থেকে কিছু লোক উত্তেজিত হয়ে উঠে। এরপর শুরু হয় রিফুজি ও
বস্তীর মধ্যে সংঘর্ষ। উক্ত সংঘর্ষে দুই গ্র“পের ১০ জন আহত হয়। পরে বাঘা
থানা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করেন। আহতরা বাঘা উপজেলা স্বাস্থ্য
কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রয়েছে।
এ ব্যাপারে বাঘা থানার
এস আই মোঃ নুরুল ইসলাম জানান, আমরা খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে উপস্থিত
হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রন করি এবং দুই পক্ষকেই এলাকাতে বসে মিমাংসা করার
জন্য পরামর্শ দিয়েছি। যদি এলাকাতে মিমাংশা করতে ব্যার্থ হয় তবে আইন গত
ব্যাবস্থা নেয়া হবে। এই রিপোর্ট লিখা পর্যন্ত বাঘা থানায় কোন অভিযোগ জমা
পড়েনি।
সময় নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশ অনলাইন নিউজ পোর্টাল এ্যাসোসিয়েশন ( বনপা)’র উদ্যোগে আগামী ১৫ অক্টোবর সোমবার বিকেল ৩ টায় জাতীয় জাদুঘর এর কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে “ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে ডিজিটাল মিডিয়ার ভূমিকা” শীর্ষক কর্মশালা ও মুক্ত আলোচনার আয়োজন করা হয়েছে। মাননীয় তথ্যমন্ত্রী জনাব হাসানুল হক ইনু প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে উক্ত কর্মশালা উদ্বোধন করার সদয় সম্মতি জ্ঞাপন করেছেন। সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী স্থপতি ইয়াফেস ওসমান । অনুষ্ঠানে প্রতিপাদ্য বিষয়ের উপর মূল প্রবন্ধ পাঠ করবেন বিজয় সফটওয়ারের জনক, আনন্দ বাংলা সংবাদ ( আবাস)’র চেয়ারম্যান, প্রখ্যাত প্রযুক্তিবিদ মোস্তাফা জব্বার । এছাড়া অনুষ্ঠানে বেশ কয়েকজন আইটি বিশেষজ্ঞ উপস্থিত থেকে পরামর্শ প্রদান করবেন। অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহনকারীদেরকে সনদপত্র প্রদান করা হবে। উভয় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বনপা কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি শামসুল আলম স্বপন। দেশের সকল অনলাইন সংবাদপত্রের মালিক ও সম্পাদকদের ( প্রতি সংবাদপত্রের জন্য ২ জন) উক্ত কর্মশালায় অংশ গ্রহন করার জন্য কর্মশালার আহ্বায়ক মিজানুর রহমান হেলাল অনুরোধ জানিয়েছেন। আগামী ৭ অক্টোবরের মধ্যে অংশ গ্রহনকারীদের নাম-পদবী , অনলাইন সংবাদপত্রের নাম, ঠিকানা, মোবাইল নং এবং ই-মেইল ঠিকানা নীচের ই-মেইল ঠিকানায় প্রেরন করার জন্য বিশেষ ভাবে অনুরোধ জানানো হলো।
অনুগ্রহপূর্বক এই ঠিকানায় ই-মেইল করুন : ঊসধরষ : যবষধষরহভড়@মসধরষ.পড়স
অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন : আহ্বায়ক : ০১৭১২৯৮১৫৯৯ সভাপতি : ০১৭১৬৯৫৪৯১৯ / ০১৭৭৬৫০৫০৯০ সাংগঠনিক সম্পাদক : ০১১৯৫৩২০৯০৩ ।
অনুগ্রহপূর্বক এই ঠিকানায় ই-মেইল করুন : ঊসধরষ : যবষধষরহভড়@মসধরষ.পড়স
অনুষ্ঠান সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য যোগাযোগ করুন : আহ্বায়ক : ০১৭১২৯৮১৫৯৯ সভাপতি : ০১৭১৬৯৫৪৯১৯ / ০১৭৭৬৫০৫০৯০ সাংগঠনিক সম্পাদক : ০১১৯৫৩২০৯০৩ ।
চারঘাট সংবাদদাতাঃ রাজশাহী কলোনীর র্যাব-৫ এর একটি অপারেশন দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার গভীর রাতে চারঘাট উপজেলার হলিদাগাছি গ্রামের আশরাফ আলীর বাড়িতে অভিযান চালিয়ে প্রায় ২ লক্ষ টাকার ২০ পুড়িয়া হিরোইন উদ্ধার করে। এ সময় হিরোইন সম্রাট আশরাফ আলীকেও র্যাব-৫ সদস্যরা আটক করে । আটক কৃত আশরাফ আলীর বিরুদ্ধে মাদক দ্রব্য আইনে গতকাল মঙ্গলবার চারঘাট থানায় মামলা দায়ের হয়েছে।#
মাহ্ফুজুর রহমান তুহিন পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ পুঠিয়ায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় ব্যবহার হচ্ছে। এতে জমির উর্বরতা কমছে। এ ছাড়া জলাবদ্ধতার কারণে অনেক জমি অনাবাদি থেকে যাচ্ছে। ফলে উপজেলার শস্য উৎপাদন কমছে।
পুঠিয়ার কৃষি সম্প্র্রসারণ বিভাগ সূত্র জানায়, বছরের পর বছর চাষাবাদ করার পর ফসলের অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে উর্বরা শক্তি জমে থাকে, কিন্তু উপরিভাগের মাটি কেটে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ায় জমিতে বিদ্যমান উর্বর শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে, যা ফিরে পেতে অনেক সময় লাগে। এরপর নিচের অংশে চাষাবাদে প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করেও উর্বর করে তুলতে কয়েক বছর সময় লেগে যায়।
মাটির উপরিভাগের ৬-৭ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরা শক্তি থাকে, কিন্তু দেড়-দুই ফুট গভীরতা পর্যন্ত ফসলের জমি থেকে মাটি নেয়া হলে জমির উর্বরা শক্তি থাকে না। তাই চাষাবাদে আশানুরূপ ফলন হয় না। ফসল বিবর্ণ হয়ে যায়। এ ক্ষতি কয়েক বছরে পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই।
পুঠিয়ার এক ইটভাটার মালিক বলেন, আমরা ঠিকাদার থেকে মাটি ক্রয় করি, তাই যাচাই-বাচাই করার সুযোগ থাকে না। তা ছাড়া সব ভাটায় টপ সয়েল পোড়ানো হয় না।’
এছাড়াও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সূত্রে জানা যায়, জমির মালিক নিজ থেকে টপ সয়েল বিক্রি করে দিচ্ছেন, সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। টপ সয়েল আশঙ্কাজনকভাবে কাটা হচ্ছে। কমছে জমির উর্বরতা শক্তি। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া প্রয়োজন। জরুরি পদক্ষেপ নিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।
পুঠিয়ার কৃষি সম্প্র্রসারণ বিভাগ সূত্র জানায়, বছরের পর বছর চাষাবাদ করার পর ফসলের অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে উর্বরা শক্তি জমে থাকে, কিন্তু উপরিভাগের মাটি কেটে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ায় জমিতে বিদ্যমান উর্বর শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে, যা ফিরে পেতে অনেক সময় লাগে। এরপর নিচের অংশে চাষাবাদে প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করেও উর্বর করে তুলতে কয়েক বছর সময় লেগে যায়।
মাটির উপরিভাগের ৬-৭ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরা শক্তি থাকে, কিন্তু দেড়-দুই ফুট গভীরতা পর্যন্ত ফসলের জমি থেকে মাটি নেয়া হলে জমির উর্বরা শক্তি থাকে না। তাই চাষাবাদে আশানুরূপ ফলন হয় না। ফসল বিবর্ণ হয়ে যায়। এ ক্ষতি কয়েক বছরে পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই।
পুঠিয়ার এক ইটভাটার মালিক বলেন, আমরা ঠিকাদার থেকে মাটি ক্রয় করি, তাই যাচাই-বাচাই করার সুযোগ থাকে না। তা ছাড়া সব ভাটায় টপ সয়েল পোড়ানো হয় না।’
এছাড়াও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সূত্রে জানা যায়, জমির মালিক নিজ থেকে টপ সয়েল বিক্রি করে দিচ্ছেন, সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। টপ সয়েল আশঙ্কাজনকভাবে কাটা হচ্ছে। কমছে জমির উর্বরতা শক্তি। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া প্রয়োজন। জরুরি পদক্ষেপ নিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।
রাজশাহী থেকে সংবাদদাতাঃ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন । এ সময় ছাত্রশিবির ক্যাম্পাসের বাইরে এবং ছাত্রলীগ ক্যাম্পাসের ভেতরে অবস্থান নেয়। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় সংগঠনের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন পাঁচজন। আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সংঘর্ষ চলাকালে প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে ছয় সদস্য লাঞ্ছিত হন। প্রথমে পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করলেও পরে কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
জানা যায়, গত মাসের শেষ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস পুড়িয়ে দেয়ার মামলায় শিবিরকর্মীদের আটক করার পর থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা চলছিল। সোমবার ছাত্রশিবির কর্মীরা ক্যাম্পাসে এসে শোডাউন করলে ক্যাম্পাসে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে শিবির কর্মীরা আবারো কেন্দ্রীয় পাঠাগারের দক্ষিণ চত্বরে জড়ো হলে এর কয়েকশ গজ পশ্চিমে শহীদুল্লাহ কলাভবনের সামনে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ কর্মীরা। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষের রূপ নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা চলে এই সংঘর্ষ।
সংঘর্ষ চলাকালে প্রক্টোরিয়াল বডির সদস্যরা পরিস্থিতি সামাল দিতে গেলে ছয় সদস্য লাঞ্ছিত হন। প্রথমে পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করলেও পরে কয়েক রাউন্ড গুলি চালিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করে।
জানা যায়, গত মাসের শেষ দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি বাস পুড়িয়ে দেয়ার মামলায় শিবিরকর্মীদের আটক করার পর থেকেই ক্যাম্পাসে উত্তেজনা চলছিল। সোমবার ছাত্রশিবির কর্মীরা ক্যাম্পাসে এসে শোডাউন করলে ক্যাম্পাসে নতুন করে উত্তেজনা দেখা দেয়।
মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে শিবির কর্মীরা আবারো কেন্দ্রীয় পাঠাগারের দক্ষিণ চত্বরে জড়ো হলে এর কয়েকশ গজ পশ্চিমে শহীদুল্লাহ কলাভবনের সামনে অবস্থান নেয় ছাত্রলীগ কর্মীরা। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষের রূপ নেয়। প্রায় দুই ঘণ্টা চলে এই সংঘর্ষ।
ঢাকা অফিস : জাসদ রাজনীতির ৪০ বছর পূর্তি
উপলক্ষে জাসদ কেন্দ্রীয় সভাপতি হাসানুল হক ইনু’র নেতৃত্বে গতকাল বিকেলে
কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে এক বিশাল বর্ণাঢ্য মিছিল বের করা হয়। মিছিলে
জাসদ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ,অঙ্গ সংগঠনের হাজার হাজার নেতা কর্মী অংশ নেয়।
মিছিল টি শহীদ মিনার হতে বের হয়ে দোয়েল চত্বর ঘুরে প্রেসক্লাব থেকে পুরানা
পল্টন দিয়ে গুলস্থানের জাসদ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে গিয়ে শেষ হয়। এর আগে শহীদ
মিনারের পাদদেশে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জাসদ সভাপতি তথ্যমন্ত্রী হাসানুল
হক ইনু’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভার শুরুতেই শহীদ জাসদ নেতাদের স্মরণে
দাড়িয়ে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়। এখানে জাসদের রাজনীতির বিভিন্ন দিক
তুলে ধরে কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন।
সভাপতির বক্তব্যে হাসানুল হক ইনু বলেন,
জাসদ স্বাধীনতার চেতনায় উদ্বুদ্ধ একটি সমাজতান্ত্রিক দল। দেশ ও জাতির
কল্যাণই জাসদের রাজনীতির মুলমন্ত্র। তিনি বলেন, বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া
যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রীপরিষদে স্থান দিয়ে দেশের পতাকার অবমাননা করেছিলেন।
তাই আমরা চাই খালেদা যেন কোন দিন আর ক্ষমতায় আসতে না পারে। দেশ ও জাতির
স্বার্থেই খালেদা জিয়াকে ক্ষমতার বাইরে রাখতে হবে।
সেলিম বান্বডারী, বাঘা রাজশাহী :: রাজশাহীর বাঘা উপজেলার জোতনসী গ্রামের পলান উদ্দীনের ১৫ বছর বয়সী ছেলে বাবু গতকাল রাত ৮ টার সময় মনিগ্রাম বাজারে ‘আত্তাব মিষ্টান্ন ভান্ডার’ হোটেলে বসে বন্ধুদের সাথে বাজি ধরে ৩ কেজি মিষ্টি খেয়ে সাবাড় করে দিয়েছে। বাবুর মিষ্টি খাওখা দেখে মনিগ্রাম বাজারের প্রায় দুই শত লোক অবাক নয়নে চেয়ে থাকেন। আর বলতে থাকেন এতো মিষ্টি যাচ্ছে কোথায়?
মিষ্টি খাওয়ার শেষ মুহুর্তে আত্তাব মিষ্টান্ন ভান্ডারে গিয়ে দেখা যায়, ৩ কেজি মিষ্টির মধ্যে আর মাত্র ৩ টি মিষ্টি রয়েছে। অবশিষ্ট ৩ টি মিষ্টি থাকা কালীন সময়ে বাবুর এই ছবিটি তোলা হয়। ছবি তোলা শেষে বাঁকি ৩ টি মিষ্টিও খেয়ে শেষ করে।
এতো মিষ্টি খাওখার অভ্যাস কতো দিনের জিজ্ঞাসা করলে বাবু উত্তরে বলে, আমি এতো মিষ্টি এর পূর্বে কখনো খাইনি। এর আগে সর্বোচ্চ ২ কেজি পর্যন্ত মিষ্টি খেয়েছি। আজই মিষ্ট খেতে বসে আমার তিন বন্ধু সুনামুল, সামিম ও মোমিন এর সাথে বাজি ধরে এতো মিষ্টি খেয়েছি। বাজি টা কি ছিলো জানতে চাইলে বাবু আরো বলে, ৩ কেজি মিষ্টি খেতে পারলে আমাকে দাম দেওয়া লাগবে না। আর যদি না পারি তাহলে আমি আমার মোবাইল ফোন দিয়ে দেব। তাই একটু কষ্ট হলেও সমস্ত মিষ্টি খেয়ে সাবাড় করেছি।
মিষ্টি খাওয়ার শেষ মুহুর্তে আত্তাব মিষ্টান্ন ভান্ডারে গিয়ে দেখা যায়, ৩ কেজি মিষ্টির মধ্যে আর মাত্র ৩ টি মিষ্টি রয়েছে। অবশিষ্ট ৩ টি মিষ্টি থাকা কালীন সময়ে বাবুর এই ছবিটি তোলা হয়। ছবি তোলা শেষে বাঁকি ৩ টি মিষ্টিও খেয়ে শেষ করে।
এতো মিষ্টি খাওখার অভ্যাস কতো দিনের জিজ্ঞাসা করলে বাবু উত্তরে বলে, আমি এতো মিষ্টি এর পূর্বে কখনো খাইনি। এর আগে সর্বোচ্চ ২ কেজি পর্যন্ত মিষ্টি খেয়েছি। আজই মিষ্ট খেতে বসে আমার তিন বন্ধু সুনামুল, সামিম ও মোমিন এর সাথে বাজি ধরে এতো মিষ্টি খেয়েছি। বাজি টা কি ছিলো জানতে চাইলে বাবু আরো বলে, ৩ কেজি মিষ্টি খেতে পারলে আমাকে দাম দেওয়া লাগবে না। আর যদি না পারি তাহলে আমি আমার মোবাইল ফোন দিয়ে দেব। তাই একটু কষ্ট হলেও সমস্ত মিষ্টি খেয়ে সাবাড় করেছি।
শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী
কবি ডাঃ নূরুজ্জামান মাইজ ভান্ডারী
যার অন্তরে লালিত মুক্ত স্বাধীন
সোনার বাংলাদেশ।
সেত আর কেউ নয়
মহান স্বাধীনতার ঘোষক
বাঙ্গালী জাতির জনক শেখ মুজিব
উনবিংশ শতাব্দির উত্তম পুরূষ।
জন্মে ছিল বাংলা মাতৃক্রোড়ে
শৃংখলিত পরাধীন মাতৃভূমি
মুক্ত স্বাধীন করার তরে
’৭১-এর ৭ ই মার্চ
অগনিত জনতার ভীড়ে
হেঁকে ছিল হায়দারী হাঁক
রেস কোর্স ময়দান পরে।
হাঁকে ডাকে চেতন হয়ে
বীর বাঙ্গালী, যার যা- ছিল
তাই নিয়ে নেমেছিল রনাঙ্গনে
তুমুল লড়াই করেছে নয় মাস
মুক্তি বাহিনী বীর বিত্র“মে
পাকিস্তানী শত্র“ সেনার বিরুদ্ধে।
লুট করেছে লুটেরা পশ্চিমা পাষন্ডরা
সাথে ছিল দোষর পদলেহী কুকুর
আলবদর, আলশাম্ছ, রাজাকার,
কেড়েনিয়েছে দুই লক্ষ মা বোনের
মান-সম্মান ইজ্জতের অহংকার।
ত্রিশ লক্ষ প্রাণের তপ্তরক্ত আত্বনিংড়ে
ঝরে পড়েছে মা-মাটির কমল বুকে
সন্তানের খুন বুকে নিয়ে মা
আজও নীরব নিশিথে কাঁদে।
মাতৃ বক্ষ বিদীর্ন, সন্তানহারা শোকে
ব্যথার অশ্র“ না শুকাতে চোখে
চকিত দু:খের বন্যা বয়ে গেল
’৭৫এর ১৪ই আগষ্ট কাল রাতে।
হায়রে ! রক্ত পিপাসু হয়েনার দল
একটু দয়া হলোনা তোদের প্রাণে?
নয় মাস বন্দি জীবন করাচীর জেলে
অন্তরীন ছিল বড় কষ্টে বরফ সেলে
পৈশাচিক নির্মম নির্যাতন যন্ত্রনার মাঝে
তবুও শির নত করেনি বীর
পিশাচের পদতলে।
বিকিয়ে দেয়নি দেশের মান
ওরে শয়তান, ওরে নিমুক হারাম
মীরজাফরী কৌশলে নিভিয়ে দিলি
জ্ঞানের দ্বীপায়ন নির্ভীক জীবন।
তোরা ভেবেছিস্ মরেছে মুজিব?
না-মুজিব জীবন্ত, কিংবদন্তী
শহিদ হয়েছে স্ব-পরিবারে
মিশে আছে শহিদের রক্ত সাগরে
রয়েছে জাগ্রত, বাঙ্গালীর অন্তরে।
ঐ তো মুজিব, তরুন দলের উদ্দাম
সত্য নিষ্ঠ শৃংখলা ঐক্যজোট
যুবকের বুকের দুর্বার হিম্মত
জঙ্গী সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিপ্লবী
বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর নির্ভীক সৈনিক।
ঐ যে, বাংলার সংসদে শমসিন
বাতিলের বিপক্ষে বি-দগ্ধ চিত্তে
চেতনার প্রতীক, প্রগতির মূলধারা।
সে আছে দোয়েল কোয়েল
বিহঙ্গ কুলের কলরবে
নদীর কলতানে, পবন হিল্লোলে
পাহাড় চূড়ায় ঝর্ণা ধারায়
আকাশে বাতাশে চন্দ্র তারায়।
আছে সবুজ শ্যামল মাঠ প্রান্তরে
সোনালী রূপালী ধানের শীষে
জন সমুদ্র তরঙ্গ মালায়
গনতন্ত্র তরনীর হাল ধরে দিচেছ দিশে,
আমাদের থাকলে চিত্তে সরণ
বাংলাদেশের স্থপতি, উন্নয়নের রূপকার
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবের আদর্শ, অবদান
অবশ্যই পৌঁছাবে জাতী অভিষ্ঠ লক্ষ্যে।
কবি ডাঃ নূরুজ্জামান মাইজ ভান্ডারী
যার অন্তরে লালিত মুক্ত স্বাধীন
সোনার বাংলাদেশ।
সেত আর কেউ নয়
মহান স্বাধীনতার ঘোষক
বাঙ্গালী জাতির জনক শেখ মুজিব
উনবিংশ শতাব্দির উত্তম পুরূষ।
জন্মে ছিল বাংলা মাতৃক্রোড়ে
শৃংখলিত পরাধীন মাতৃভূমি
মুক্ত স্বাধীন করার তরে
’৭১-এর ৭ ই মার্চ
অগনিত জনতার ভীড়ে
হেঁকে ছিল হায়দারী হাঁক
রেস কোর্স ময়দান পরে।
হাঁকে ডাকে চেতন হয়ে
বীর বাঙ্গালী, যার যা- ছিল
তাই নিয়ে নেমেছিল রনাঙ্গনে
তুমুল লড়াই করেছে নয় মাস
মুক্তি বাহিনী বীর বিত্র“মে
পাকিস্তানী শত্র“ সেনার বিরুদ্ধে।
লুট করেছে লুটেরা পশ্চিমা পাষন্ডরা
সাথে ছিল দোষর পদলেহী কুকুর
আলবদর, আলশাম্ছ, রাজাকার,
কেড়েনিয়েছে দুই লক্ষ মা বোনের
মান-সম্মান ইজ্জতের অহংকার।
ত্রিশ লক্ষ প্রাণের তপ্তরক্ত আত্বনিংড়ে
ঝরে পড়েছে মা-মাটির কমল বুকে
সন্তানের খুন বুকে নিয়ে মা
আজও নীরব নিশিথে কাঁদে।
মাতৃ বক্ষ বিদীর্ন, সন্তানহারা শোকে
ব্যথার অশ্র“ না শুকাতে চোখে
চকিত দু:খের বন্যা বয়ে গেল
’৭৫এর ১৪ই আগষ্ট কাল রাতে।
হায়রে ! রক্ত পিপাসু হয়েনার দল
একটু দয়া হলোনা তোদের প্রাণে?
নয় মাস বন্দি জীবন করাচীর জেলে
অন্তরীন ছিল বড় কষ্টে বরফ সেলে
পৈশাচিক নির্মম নির্যাতন যন্ত্রনার মাঝে
তবুও শির নত করেনি বীর
পিশাচের পদতলে।
বিকিয়ে দেয়নি দেশের মান
ওরে শয়তান, ওরে নিমুক হারাম
মীরজাফরী কৌশলে নিভিয়ে দিলি
জ্ঞানের দ্বীপায়ন নির্ভীক জীবন।
তোরা ভেবেছিস্ মরেছে মুজিব?
না-মুজিব জীবন্ত, কিংবদন্তী
শহিদ হয়েছে স্ব-পরিবারে
মিশে আছে শহিদের রক্ত সাগরে
রয়েছে জাগ্রত, বাঙ্গালীর অন্তরে।
ঐ তো মুজিব, তরুন দলের উদ্দাম
সত্য নিষ্ঠ শৃংখলা ঐক্যজোট
যুবকের বুকের দুর্বার হিম্মত
জঙ্গী সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে বিপ্লবী
বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর নির্ভীক সৈনিক।
ঐ যে, বাংলার সংসদে শমসিন
বাতিলের বিপক্ষে বি-দগ্ধ চিত্তে
চেতনার প্রতীক, প্রগতির মূলধারা।
সে আছে দোয়েল কোয়েল
বিহঙ্গ কুলের কলরবে
নদীর কলতানে, পবন হিল্লোলে
পাহাড় চূড়ায় ঝর্ণা ধারায়
আকাশে বাতাশে চন্দ্র তারায়।
আছে সবুজ শ্যামল মাঠ প্রান্তরে
সোনালী রূপালী ধানের শীষে
জন সমুদ্র তরঙ্গ মালায়
গনতন্ত্র তরনীর হাল ধরে দিচেছ দিশে,
আমাদের থাকলে চিত্তে সরণ
বাংলাদেশের স্থপতি, উন্নয়নের রূপকার
হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙ্গালী বঙ্গবন্ধু
শেখ মুজিবের আদর্শ, অবদান
অবশ্যই পৌঁছাবে জাতী অভিষ্ঠ লক্ষ্যে।
এক রবির উদয় হয়েছিল
সার্ধশত বছর আগে
এই প্রগাঢ় শ্যামল সম্ভারে,
এই বাংলারই বারান্দায় পড়েছিল তাঁর
দুনিয়া আলোক্করা
সাদা তীক্ষ্ম আলো।
আরও লাল, রক্তিমবর্ণ বিচ্ছুরিত কিরণে
আলোকিত হল সারা বিশ্ব।
এ রবি অস্তমিত হবার নয়
শুধু দিন নয়, রাতকেও আলোকিত করেছে রবি।
ক্ষণ-কাল-মহাকালেও রয়েছে তাঁর
একই রকম আলোর বিকিরণ।
বিশ্ব চিনলো বাংলাকে,
বাঙ্গালীকে, বাংলা ভাষাকে,
আপামোর সাধারণ তাকিয়ে দেখলো
সেই রবিকে, চিনলো রবিকে, বুঝলোও রবিকে।
১৯১৩ সাল-নোবেল কমিটি কর্তৃক
রবি পেলেন নোবেল পদক
আমাদের রবি হল বিশ্বজয়ী।
বাংলার বুকটাও প্রসারিত হল
তাই মোরা গর্ব করে বলি
বিশ্বের মাঝে মোরা গর্বিত বাঙ্গালী।
আমাদের আছে একজন
কালজয়ী,ক্ষণজন্মা
অনির্বাণ রবি,
তিনি আমাদের বিশ্বকবি।
সার্ধশত বছর আগে
এই প্রগাঢ় শ্যামল সম্ভারে,
এই বাংলারই বারান্দায় পড়েছিল তাঁর
দুনিয়া আলোক্করা
সাদা তীক্ষ্ম আলো।
আরও লাল, রক্তিমবর্ণ বিচ্ছুরিত কিরণে
আলোকিত হল সারা বিশ্ব।
এ রবি অস্তমিত হবার নয়
শুধু দিন নয়, রাতকেও আলোকিত করেছে রবি।
ক্ষণ-কাল-মহাকালেও রয়েছে তাঁর
একই রকম আলোর বিকিরণ।
বিশ্ব চিনলো বাংলাকে,
বাঙ্গালীকে, বাংলা ভাষাকে,
আপামোর সাধারণ তাকিয়ে দেখলো
সেই রবিকে, চিনলো রবিকে, বুঝলোও রবিকে।
১৯১৩ সাল-নোবেল কমিটি কর্তৃক
রবি পেলেন নোবেল পদক
আমাদের রবি হল বিশ্বজয়ী।
বাংলার বুকটাও প্রসারিত হল
তাই মোরা গর্ব করে বলি
বিশ্বের মাঝে মোরা গর্বিত বাঙ্গালী।
আমাদের আছে একজন
কালজয়ী,ক্ষণজন্মা
অনির্বাণ রবি,
তিনি আমাদের বিশ্বকবি।






