এস.এইচ.এম তরিকুল ইসলাম, রাজশাহী :: রাজশাহীর পবা উপজেলার হরিপুর ইউনিয়নের চর মাজারদিয়া সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) গুলিতে আবারো এক বাংলাদেশী কিশোর ব্যবসায়ী নিহত হয়েছে। তার নাম সুজন (১৬)। সে ঐ এলাকার শুকুর আলীর পুত্র। রোববার দিবাগত রাত ১টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, সুজনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী রোববার গভীর রাতে চর মাজারদিয়া সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সীমান্তের ওপারে ভারতের হারুডাঙ্গা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ করে গুলি ছুড়লে সুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তারা লাশ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। নিহতের বাড়ি সীমান্ত থেকে মাত্র ৫’শ গজ দূরে বলে জানাগেছে। আইনি জটিলতা এড়াতে এসময় সুজনের পরিবার তরিঘরি লাশ দাফন করেন। কিন্তু স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) খবর দেন।
এ ব্যাপারে হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, প্রথমে নিহতের স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে দাফন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সুজনের বাবা শুকুর আলী তাকে জানান যে, বিজিবি’র অনুমতি সাপেক্ষেই সন্তানের লাশ দাফন করেছেন।
এদিকে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সোমবার বিকাল সোয়া ৫টায় বলেন, বিজিবি লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের বাড়ি গিয়ে লাশটি কবর থেকে তোলার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। তিনি বলেন, লাশ তোলা হলে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি রাজশাহী সদর দপ্তরের জি-২ মেজর হান্নান জানান, সীমান্তে কিশোর হত্যার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। এছাড়াও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হবে।
এলাকাবাসী সূত্রে জানাগেছে, সুজনসহ কয়েকজন ব্যবসায়ী রোববার গভীর রাতে চর মাজারদিয়া সীমান্ত দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। এসময় সীমান্তের ওপারে ভারতের হারুডাঙ্গা ক্যাম্পের বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ করে গুলি ছুড়লে সুজন গুলিবিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে তারা লাশ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেন। নিহতের বাড়ি সীমান্ত থেকে মাত্র ৫’শ গজ দূরে বলে জানাগেছে। আইনি জটিলতা এড়াতে এসময় সুজনের পরিবার তরিঘরি লাশ দাফন করেন। কিন্তু স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশকে (বিজিবি) খবর দেন।
এ ব্যাপারে হরিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম জানান, প্রথমে নিহতের স্বজনরা লাশ উদ্ধার করে দাফন করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে সুজনের বাবা শুকুর আলী তাকে জানান যে, বিজিবি’র অনুমতি সাপেক্ষেই সন্তানের লাশ দাফন করেছেন।
এদিকে রাজপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিল্লুর রহমান সোমবার বিকাল সোয়া ৫টায় বলেন, বিজিবি লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়ার কথা অস্বীকার করার খবর পেয়ে পুলিশ নিহতের বাড়ি গিয়ে লাশটি কবর থেকে তোলার প্রক্রিয়া চালাচ্ছে। তিনি বলেন, লাশ তোলা হলে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগে পাঠানো হবে। বিষয়টি নিশ্চিত করে বিজিবি রাজশাহী সদর দপ্তরের জি-২ মেজর হান্নান জানান, সীমান্তে কিশোর হত্যার বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে স্বরাষ্ট্র ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে জানানো হয়েছে। এছাড়াও এ ঘটনার নিন্দা জানিয়ে বিএসএফকে চিঠি দেওয়া হবে।
0 Responses to রাজশাহীর হরিপুর সীমান্তে বিএসএফ’র গুলিতে আবারো বাংলাদেশী কিশোর নিহত