এর দ্বারা পোস্ট করা
HBNtv.com
শনিবার, ৫ মে, ২০১২

জীবন কৃষ্ণদেবনাথ, চট্টগ্রাম ব্যুরো :: চট্টগ্রামে আবারও সন্ত্রাসীদের প্রেম প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অবশেষে জোরপূর্বক অপহরণের পর ৮দিন আটকিয়ে রেখে ধর্ষণের শিকার হয় এক কলেজ ছাত্রী অবশেষে অপহরণকারীদের কবল থেকে ৮দিনের মাথায় সুকৌশলে পালিয়ে রক্ষা পেল বান্দরবনের সেই কলেজ ছাত্রী । বখাটে, উশৃংখল, সন্ত্রাসী ও কুরুচী সম্পন্ন যুবক- জাহেদুল ইসলাম পিতাঃ নুরুল ইসলাম, প্রকাশ খোকন গ্রামঃ পুরানগড়, থানাঃ সাতকানিয়া, চট্টগ্রাম। আমাকে কলেজে যাওয়া-আসার সময় প্রায়ই নানাভাবে উত্যক্ত করত। আমি ইজ্জতের ভয়ে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করি। কলেজে যাওয়ার সময় অর্থাৎ ২৩/০৭/১১ ইং বাজালিয়া বাস ষ্টেশনে আমাকে উক্ত জাহেদ ও তার অন্যান্য কয়েকজন সঙ্গীমসহ জোর কওে একটি মাইক্রোতে তুলে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। আমাকে একটি ঘরে আটকিয়ে রাখে। আমি নির্দিষ্ট সময়ে বাড়ী না যাবার কারণে আমার বাবা খোজা খুজির পর ২৫/০৭/১১ইং সাতকানিয়া থানায় ডায়েরী করেন। ডায়েরী নং ৯৭০/২০১১। এই সময়ের মধ্যে যে ঘরে আমাকে আটকিয়ে রাখা হয়, সেই ঘরে উক্ত মদদী জাহেদ জোরপূর্বক আমাকে শ্লীলতাহানী করে। এরপর উক্ত ঘরে তার পিতাঃ নুরুল ইসলাম প্রকাশ খোকন ও তার নিকট আতœীয় (১) গিয়স উদ্দিন, পিতাঃ মোঃ রফিক সাং বালাঘাটা, থানা ও জেলা-বান্দরবান এবং ফারজানা আক্তার রিমা পিতাঃ জাবেদ চৌধুরী সাং উজানীপাড়া থানা ও জেলা-বান্দরবান বলে যে জাহেদের সহিত বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে সখের জীবন যাপন করতে পারবি। অন্যথায় আমার ও পরিবারের কারো রেহাই হবে না। সেই ঘরে জোরপূর্বক একটি কাবিন নামা ফরমে আমার স্বাক্ষর নেন। আমি অসহায়ের মতো উক্ত ঘরে তাদের মারধর ও শারিরিক নির্যাতন সহ্য করে আতœহত্যার চেষ্টা করেও পারিনি। এরা সকলে আমাকে জোরপূর্বক উক্ত লম্পট জাহেদেও সহিত রাত কাটাতে বাধ্য করে। ২৩/০৭/১১ থেকে ০৫/০৮/১১ইং পর্যন্ত তারা আমাকে উক্তঘরে আটকিয়ে রেখে জোরপূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে শ্লীলতাহানী করেছে এবং মধ্যযুগীয় কায়দায় বর্বও ভাবে নির্যাতন করেছে। ০৫/০৮/১১ ইং তারিখে তখন রজমান মাস, ইফতার ও নামাজের জন্য উক্ত ঘরের লোকজন ব্যস্ত ছিল। এই সুযোগে আমি পিছনের দিক দিয়ে উক্ত ঘর থেকে পালাতে সক্ষম হই। বিস্তারিত ঘটনার বর্ণনা মামলায় বলেছি। তখন বুঝতে পারি যে,আমাকে তাদের আতœীয় আবুল খায়েরের বাড়ীতে আটকিয়ে রেখেছিল। আমি প্রাণ ভয়ে আতœগোপনে থেকে আমার বাবা-মা, আতœীয় স্বজনের সাথে সমস্ত ঘটনা বর্ণনা করে সাতকানিয়া থানায় তাদের বিরুদ্ধে আমি বাদী হয়ে নারী নির্যাতন মামলা করি। মামলা নং- ২২, ২২(৮) ১১ তারিখঃ ২৫/৮/২০১১ ধারা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সং/০৩) এর ৭/৯(১)৩০। থানা কর্তৃপক্ষ মামলাটি তদন্ত করে আসাশীদের বিরুদ্ধে চার্জসীট প্রদান করেন। মামলাটি বর্তমানে চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-১আদালতে ৫৭৫/২০১১, বিচারাধীন। সেই থেকে উক্ত আসামীরা আমার পরিবার ও আতœীয়দের প্রাণনাশের হুমকি সহ মামলায় জড়ানোর ভয় দেখাতে থাকে। এমন কি মামলায় হাজিরা দেওয়ার জন্য চট্টগ্রাম আদালতে আসিলে তারা আমাকে সেখান থেকে অপহরণের চেষ্টা চালিয়েছিল। যার জন্য কতোয়ালী থানায় ডায়েরী করি যাহার তাবিখ ২২/০১/২০১২ইং এছাড়া ও আমার পিতাঃ মোহাম্মদ আলী সাতকানিয়া থানায় অপর একটি ডয়েরী করেছিল আমাদের জীবনের নিরাপওার জন্য সাতকানিয়া থানার ডায়েরী নং ১২৭২/২০১২ তারিখঃ ৩১/০৩/২০১২ । উক্ত সন্ত্রাসী চক্র এই ঘটনার পরে সাতকানিয়া থানায় একটি লুটপাটসহ দাঙ্গামার অভিযোগ এন একটি মামলা করেছিল। সাতকানিয়া থানার মামলা নং ২০ তারিখ ২৪/০৮/২০১১। উক্ত মামলাটি সাতকানিয়া পুলিশ তদন্ত কওে ঘটনা মিথ্যা ও সাজানো প্রমাণিত হওয়ায় নুরুল ইসলাম খোকন সহ অন্যান্যদের বিরুদ্ধে ২১১ ধারায় মামলা করার জন্য সুপারিশসহ ফাইন্যাল রিপোর্ট প্রদান করেছিলেন। উল্লেখিত ঘটনা ও আসামীদের কার্যকলাপ সম্পর্কে ইতিমধ্যে আমি এবং আমার পিতা স্বরাষ্ট্র প্রতি মন্ত্রী মহোদয়, আইজিপি মহোদয়, পুলিশ সুপার, চট্টগ্রাম ও সাতকানিয়া সার্কেল মহোদয় এর নিকট দরখাস্ত প্রদান । করার পর ও সুবীচার পাইনী। উক্ত লম্পট জাহেদুল ইসলাম পিতা নুরুল ইসলাম খোকনের চার স্ত্রীর ১ম স্ত্রীর সন্তান। সে পাহাড়ী মদ ও কাঠের ব্যবসায়ী, মাদকাসক্ত, উৎশৃঙ্খল সন্ত্রাসী যুবক। ঘটনার পরপরই উক্ত নারলোভী সন্ত্রাসী চক্রটি আমার বাবা-মা-ভাই-মামাকে আসামী কওে মিথ্যা সাজানো, বানোয়ট কাহিনী বানিয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে অপহরণ পুবক ধর্ষণ, মামলা সাজিয়ে মাননীয় আদালতকে মিথ্যা তথ্য দিয়ে ভ্রমে ফেলে মামলা দায়ের করেন-মামলা নং ১১৯/২০১২ তারিখঃ ৬/২/১২। উক্ত মামলাটি মাননীয় সিনিয়র জুডিশিয়াল মেজিষ্ট্রেট জনাব আক্তার হোসেন মহোদয় তদন্তপূর্বক আসামীদেও বিরুদ্ধে সত্যতা পাওয়া যায় নাই মর্মে রিপোট দেওয়ার পরও অদৃশ্যকারণে রহস্যজনকভাবে মামলাটি চট্টগ্রাম নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-চট্টগ্রাম-১ এর আদালতে গ্রহণপূর্বক আমার বাবা-মা-ভাই এর বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট জারী করা হয়। বর্তমানে তাদেরকে মাননীয় হাইকোর্টের মহামান্য বিচারপতি ছিদ্দিকুর রহমান মিয়া এবং এ,কে,এম শাহেদুল হক মহোদয়ের বেঞ্চ থেকে আগাম জামিন নেওয়া হয়।এতে আমার পৈএিক সম্পওি বন্ধক রেখে মোটা অংকের টাকা জোগার করতে হয়। উল্লেখ্য উক্ত মামলার বাদী আমেনা সুলতানা উক্ত নুরুল ইসলাম খোকনের রক্ষিত হিসাব পরিচিত। আবার আমার মামলার আসামী গিয়াস উদ্দিন তার কথিত ভাড়াটিয়া স্ত্রী উর্মি আক্তারকে বাদী কওে আরো একটি মামলা একই আদালতে একই উকিলের মাধ্যেওে একই ধারায় মামলা করেন- মামলা নং ২৬৯/২০১২,তাং ১৮/৩/১২। মামলাটি বর্তমানে সিনিয়র জুিডশিয়ল ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট তদন্তাধীন আছে। মিথ্যা মামলার কারণে আমার একমাএ ভাই মোঃ বাবুল হোসেন এইচ.এস.সি পরীক্ষায় ভালোভাবে অংশ নিতে পারিতেছে না। আমার বাবা-মা ঘরে থাকিতে না পারায় ছোট স্কুল পড়–য়া দুই বোনের শিক্ষা জীবন অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। বর্তমানে বেঁচে থাকার মতো কোন নিশ্চয়তা পাচ্ছি না। যে কোন সময় যে কোন অঘটন ঘটতে পারে। তখন হয়তো একটি নিমর্ম কাহিনী সৃষ্টি করা ছাড়া আমাদের আর কোন পথ থাকবে না। হয়তো আমরা লজ্জা, ঘৃনায়, আশ্রয়হীনতার কারণে স্ব-পরিবারে আতœহত্যা করা ছাড়া উপায় থাকবে না। এই সব সন্ত্রাসীরা বড়ই নির্মম, নিষ্টুর এবং হিংস্র। এরা সব করতে পারে। হয়তো আমাদেও গোটা পরিবারকে পুড়িয়ে মারতে পারে অথবা ঘরে ঢুকে জোরপূর্বক বিষ খাইয়ে দিতে পারে। আমাকে নির্মম লজ্জাজনক পরিস্থিতিতে ফেলতে পারে। তারা হিংস্র ও ভয়ানক। এরা অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী ও দলবদ্ধ গোষ্ঠি। বর্তমানে অপরাধীরা যেন নারীলোভী লম্পট জাহেদুল ইসলাম ও তার পিতা নুরুল ইসলাম খোকন, আতœীয় গিয়াসউদ্দিন, টাকার বিনিময়ে মামলার বাদিনী আমেনা সুলতানা, উম্মী আক্তার এবং ফারজানা আক্তার রিমা সহ সকল চক্রেও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবী করছি এবং এদের আশ্রয়দাতাদের শাস্তি চাই। উক্ত চক্রকে অভিলম্বে গ্রেফতার করে শাস্তি দেওয়া না হলে এরা যে কোন সময় আমার পরিবারের উপর জঘন্যতম ঘটনা ঘটাতে পারে। সন্ত্রাসী চক্রের গ্রেপ্তার ও শাস্তি নিশ্চিত হলে আমার এবং আমার পরিবারের জীবন-যাপন নিরাপদ হবে বলে বিশ্বাস করি। আমি আবার পড়ালেখা গড়বো এই মহৎ প্রত্যাশা নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলনে (ছদ্দনাম পরিনম বেগম), পিতাঃ মোঃ মোহাম্মদ আলী, সাং- পুরানগড় ইউনিয়ন, থানা- সাতকানিয়া, জেলা- চট্টগ্রাম এবং উপস্থিত হয়ে গরিব কৃষক গরীব কৃষক পিতাঃ মোহাম্মদ আলী, মাতাঃ ফরিদা বেগম, ভাই- মোঃ বাবুল হোসেন দুই বোন যথাক্রমে ১/ তাসমিন আক্তার ২/ তাহমিনা আক্তার বৃষ্টিসহ আমরা আত্মীয় স্বজনবৃন্দ উপস্থিত হয়েছেন। সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নির্যাতিত কলেজ ছাত্রী (ছদ্দনাম পরিনম বেগম)।
0 Responses to অপহরণের ৮ দিন পর পালিয়ে রক্ষা চট্টগ্রামে অপহরণের পর বান্দরবান কলেজ ছাত্রীকে ধর্ষণ