মাহ্ফুজুর রহমান তুহিন পুঠিয়া প্রতিনিধিঃ পুঠিয়ায় ফসলি জমির মাটি ইটভাটায় ব্যবহার হচ্ছে। এতে জমির উর্বরতা কমছে। এ ছাড়া জলাবদ্ধতার কারণে অনেক জমি অনাবাদি থেকে যাচ্ছে। ফলে উপজেলার শস্য উৎপাদন কমছে।
পুঠিয়ার কৃষি সম্প্র্রসারণ বিভাগ সূত্র জানায়, বছরের পর বছর চাষাবাদ করার পর ফসলের অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে উর্বরা শক্তি জমে থাকে, কিন্তু উপরিভাগের মাটি কেটে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ায় জমিতে বিদ্যমান উর্বর শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে, যা ফিরে পেতে অনেক সময় লাগে। এরপর নিচের অংশে চাষাবাদে প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করেও উর্বর করে তুলতে কয়েক বছর সময় লেগে যায়।
মাটির উপরিভাগের ৬-৭ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরা শক্তি থাকে, কিন্তু দেড়-দুই ফুট গভীরতা পর্যন্ত ফসলের জমি থেকে মাটি নেয়া হলে জমির উর্বরা শক্তি থাকে না। তাই চাষাবাদে আশানুরূপ ফলন হয় না। ফসল বিবর্ণ হয়ে যায়। এ ক্ষতি কয়েক বছরে পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই।
পুঠিয়ার এক ইটভাটার মালিক বলেন, আমরা ঠিকাদার থেকে মাটি ক্রয় করি, তাই যাচাই-বাচাই করার সুযোগ থাকে না। তা ছাড়া সব ভাটায় টপ সয়েল পোড়ানো হয় না।’
এছাড়াও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সূত্রে জানা যায়, জমির মালিক নিজ থেকে টপ সয়েল বিক্রি করে দিচ্ছেন, সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। টপ সয়েল আশঙ্কাজনকভাবে কাটা হচ্ছে। কমছে জমির উর্বরতা শক্তি। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া প্রয়োজন। জরুরি পদক্ষেপ নিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।
পুঠিয়ার কৃষি সম্প্র্রসারণ বিভাগ সূত্র জানায়, বছরের পর বছর চাষাবাদ করার পর ফসলের অবশিষ্ট অংশ পচে এবং সার প্রয়োগের কারণে জমির উপরিভাগে উর্বরা শক্তি জমে থাকে, কিন্তু উপরিভাগের মাটি কেটে উঠিয়ে নিয়ে যাওয়ায় জমিতে বিদ্যমান উর্বর শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে, যা ফিরে পেতে অনেক সময় লাগে। এরপর নিচের অংশে চাষাবাদে প্রচুর পরিমাণে সার প্রয়োগ করেও উর্বর করে তুলতে কয়েক বছর সময় লেগে যায়।
মাটির উপরিভাগের ৬-৭ ইঞ্চির মধ্যে উর্বরা শক্তি থাকে, কিন্তু দেড়-দুই ফুট গভীরতা পর্যন্ত ফসলের জমি থেকে মাটি নেয়া হলে জমির উর্বরা শক্তি থাকে না। তাই চাষাবাদে আশানুরূপ ফলন হয় না। ফসল বিবর্ণ হয়ে যায়। এ ক্ষতি কয়েক বছরে পুষিয়ে নেয়ার সুযোগ নেই।
পুঠিয়ার এক ইটভাটার মালিক বলেন, আমরা ঠিকাদার থেকে মাটি ক্রয় করি, তাই যাচাই-বাচাই করার সুযোগ থাকে না। তা ছাড়া সব ভাটায় টপ সয়েল পোড়ানো হয় না।’
এছাড়াও পরিবেশ অধিদপ্তরের এক সূত্রে জানা যায়, জমির মালিক নিজ থেকে টপ সয়েল বিক্রি করে দিচ্ছেন, সেখানে আমাদের কিছু করার নেই। টপ সয়েল আশঙ্কাজনকভাবে কাটা হচ্ছে। কমছে জমির উর্বরতা শক্তি। এ বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নেয়া প্রয়োজন। জরুরি পদক্ষেপ নিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালককে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য অনুরোধ করেছি।

0 Responses to পুঠিয়ায় ইটভাটার কারনে কমছে শস্য উৎপাদন